মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১২:১৫ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
ব্যক্তিগত কারণে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন জাপানেতা সালাউদ্দিন খোকা মোল্লা ‎দল-মত ও ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে নাঙ্গল মার্কায় ভোট দেওয়া আহ্বান জানালেন খোকা মোল্লার  ফতুল্লা মডেল প্রেসক্লাবের নাম ব্যবহার করে প্রচারণা কাসেমীর নির্বাচন কমিশনের ওপর বিএনপির আস্থা রয়েছে: মির্জা ফখরুল ফতুল্লায় প্রয়াত জাতীয় পার্টির নেতাদের স্মরণে দোয়া  প্রার্থিতা ফিরে পেলেন জাতীয় পার্টির প্রার্থী সালাউদ্দিন খোকা ফতুল্লায় দুটি ইটভাটাকে দুই লাখ টাকা জরিমানা ৭ জানুয়ারির পর সরকার পতনের হুঁশিয়ারি ইনকিলাব মঞ্চের খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনায় বাইতুল মোকাররমের দোয়া বন্দরে ছিনতাইয়ের সময় পাঁচজন গ্রেফতার

ফতুল্লার আলীগঞ্জে স্বামী-স্ত্রীর নিয়ন্ত্রণে মাদক ব্যবসা

সংবাদ নারায়ণগঞ্জ:- ৫ আগস্ট ফ্যাসিস্ট আওয়ামী সরকারের পতনের পর সারাদেশের মতো চরম অবনতিতে পৌছায় নারায়ণগঞ্জের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি। যে সুযোগ সবচেয়ে বেশি কাজে লাগিয়েছে মাদক কারবারীরা। ধীরে ধীরে পুলিশ-প্রশাসন হার্ডলাইনে পৌছালেও দাবিয়ে রাখা যায়নি শীর্ষ মাদক সম্রাটদের।

‎ ফতুল্লার আলীগঞ্জে স্বামী-স্ত্রীর বিরুদ্ধে মাদক ব্যবসা করার অভিযোগ রয়েছে। জুয়েল ওরফে ক্যাপ জুয়েল ও তার স্ত্রী আন্না কয়েক বছর ধরে নিষিদ্ধ হেরোইন ও ইয়াবা মাদকদ্রব্য বিক্রি করছেন। বিভিন্ন সময় এলাকাবাসী প্রতিবাদ করলেও তাতে কোনো সুফল আসেনি।‎

‎আলীগঞ্জ গ্রামের বাসিন্দারা জানিয়েছে, জুয়েল ওরফে ক্যাপ জুয়েল ও তার স্ত্রী আন্না কয়েক বছর ধরে নিষিদ্ধ হেরোইন ও ইয়াবা মাদকদ্রব্য বিক্রি করছেন। উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে বহিরাগত মাদকসেবীরা মোটরসাইকেলসহ বিভিন্ন বাহনে এসে মাদক সংগ্রহ করতেন। বিভিন্ন সময় এলাকাবাসী প্রতিবাদ করলেও তাতে কোনো সুফল আসেনি।

‎‎এদিকে সূত্রের দেয়া তথ্যানুযায়ী,৫ আগস্ট ফ্যাসিস্ট আওয়ামী সরকারের পতনের পর ফতুল্লার আলীগঞ্জে এলাকায় ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড বিএনপির নেতাদের ছত্রছায়ায় ১ দিনের জন্যেও বন্ধ হয়নি ক্যাপ জুয়েল বাহিনীর মাদক কারবার।‎

‎মাদকের হটস্পট আলীগঞ্জ এলাকায় নির্বিঘ্নে মাদক ব্যবসা পরিচালনা করে আসছে মাদক কারবারী ক্যাপ জুয়েল। একাধিক স্যালসম্যানের ও নিজের স্ত্রীর বাড়িতে ও আশেপাশে প্রকাশ্যে বিক্রি করে আসছে হেরোইন, ইয়াবা। যুবসমাজকে বাঁচাতে অনতিবিলম্বে তাকে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছে আলীগঞ্জের সচেতন নাগরিকরা।‎

‎নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক- সার্কেল) হাকিমুজ্জামান বলেন, মাদকের বিস্তার রোধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছে পুলিশ। প্রায় প্রতিদিনই কোন না কোন জায়গা থেকে মাদক কারবারিদের গ্রেপ্তার করে আদালতে সোপর্দ করা হচ্ছে। তবে, দুশ্চিন্তার বিষয় হচ্ছে কিছুদিন পরই তারা জামিনে বের হয়ে ফের মাদক কারবারে জড়িত হয়ে পরছে। এক একজন মাদক কারবারির নামে চার, পাঁচ এমনকি দশের অধিক মামলা থাকার পরেও তারা মাদক কার্য সম্পাদন করে চলে। মূলত, এই কারণেই হয়তো মাদকের বিস্তার রোধ কিংবা মাদক পুরোপুরি নির্মূল করা সম্ভব হচ্ছে না। ‎

‎তিনি আরও বলেন, তবে, পুলিশ থেমে নেই। মাদক ছাড়াও আরও অন্যান্য কাজ করতে হয় আমাদের। সবমিলিয়ে মাদকের জিরো টলারেন্স নীতিতেই রয়েছি আমরা। সামনের দিনগুলোতে মাদকের বিরুদ্ধে পুলিশের অভিযান আরও জোরদার করা হবে বলেও তিনি আশা ব্যক্ত করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন...


© 2022 Sangbadnarayanganj.com - All rights reserved
Design & Developed by POPULAR HOST BD